(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ৪-৫ ফিট, কলম থেকে উৎপাদিত) সফেদা একটি স্বল্প পরিচিত মিষ্টি, সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল। এটি দেখতেও বেশ আকর্ষণীয়। আকার ছোট ও গোলাকার। রঙ তামাটে ও খসখসে। শীতকালে যখন অন্যান্য দেশি ফল পাওয়া যায় না, তখন সফেদা পাওয়া যায়। কম-বেশি সারা দেশে উৎপন্ন হলেও খুলনা, বৃহত্তর …
Read More »গোলাপ জাম গাছের চারা
(সাদা দেশী জাতের, প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ৪-৫ ফিট, বীজ থেকে উৎপাদিত) আমাদের দেশে প্রধানত তিন জাতের জাম পাওয়া যায়, ক্ষুদি-খুব ছোট জাতের এবং বড়-বেশ বড় জাতের ও মিষ্টি এবং গোলাপ জাম। গোলাপ জাম আর আগের মত তেমন দেখা যায় না। গোলাপ জাম দেখতে কালোজামের চেয়ে ভিন্ন,স্বাদ ও আলাদা। …
Read More »সৌদি জাতের লাল পেয়ারা গাছের চারা
(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ৪-৫ ফিট, কলম থেকে উৎপাদিত) পেয়ারা, অত্যন্ত পছন্দের একটি ফলের নাম। সুমিস্ট এই ফলটি আমরা প্রায় সবাই পছন্দ করি। পেয়ারা একটি সবুজ বেরী জাতীয় ফল। তবে লাল রঙয়ের পেয়ারাও পাওয়া যায়। যা লাল আপেল নামে পরিচিত। বাজারে লাল পেয়ারার চাহিদা এবং সেই অনুসারে ব্যাপকভাবে লাল পেয়ারা …
Read More »সৌদি খাটো জাতের মিষ্টি তেঁতুল গাছের চারা
(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ৩-৪ ফিট, কলম থেকে উৎপাদিত) (ইংরেজী নামঃ Tamarind; বৈজ্ঞানিক নামঃ Tamarinds indicia) তেঁতুল দেখলে এমনকি নাম শুনলেও জিহ্বায় পানি আসে না এমন লোকের সংখ্যা খুবই কম আছে। বিশেষ করে মহিলা ও ছেলে-মেয়েদেরে কাছে এটি খুবই যুক্তিযুক্ত। আর তেঁতুল যদি মিষ্টি হয় তাহলে তো কথাই …
Read More »জাম গাছের চারা
(দেশী জাতের, প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ২-৩-৪ ফিট, বীজ থেকে উৎপাদিত) জাম পরিচিতিঃ ফলের ভাণ্ডারে ভরা আমাদের এ প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ। আমাদের দেশে অন্যান্য সব ফলের মধ্যে জাম অন্যতম। অন্য সব মৌসুমি ফলের তুলনায় জামের স্থায়ীকাল কম হলেও এটি পুষ্টিগুণে অতুলনীয়। কালো জাম একটি গ্রীষ্মকালীন ফল। গাছটির উদ্ভব দক্ষিণ এশিয়া, …
Read More »জলপাই গাছের পরিচিতি, বংশ বিস্তার ও পরিচর্যা !
(দেশী জাতের, প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ৪-৫-৬ ফিট, বীজ থেকে উৎপাদিত) জলপাই পরিচিতিঃ ভূমধ্য সাগরীয় অঞ্চলে জলাপাইয়ের বা জয়তুনের আদি বাসস্থান। পরবর্তীতে এ ফল এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশের মানুষের কাছে জলপাই একটি অতি পরিচিত মুখরোচক ফল। কাঁচা ও পাকা সব অবস্থায় এ ফল খাওয়া …
Read More »কাঁঠাল গাছ চারা রোপণ ও চাষের পদ্ধতি!
(দেশী জাতের, প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ৪-৫ ফিট, বীজ থেকে উৎপাদিত) পুষ্টি মূল্যঃ আমিষ ও ভিটামিন এ সমৃদ্ধ। ভেষজ গুণঃ কাঁঠালের শাঁস ও বীজকে চীন দেশে বলবর্ধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কাঁঠালের শিকড়ের রস জ্বর ও পাতলা পায়খানা নিরাময়ে ব্যবহার করা হয়। উপযুক্ত জমি ও মাটিঃ পানি …
Read More »হিমসাগর (নাবি জাতের) আম গাছের চারা
(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ৪-৫ ফিট, জয়েন্ট কলম থেকে উৎপাদিত) হিমসাগর আমের পরিচিতিঃ হিমসাগর একটি বিখ্যাত আম। বাংলাদেশের রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাতে এই জাতের আমের চাষ বেশী হয়। এই আমের মিষ্টি সুগন্ধ ও স্বাদ পৃথিবীর অন্যান্য আমের থেকে ভিন্ন। তাই সারা পৃথিবীতে স্বাদ ও গন্ধের জন্য এই আম বাণিজ্যিক ভাবে বহুল পরিমানে চাষ করা হয়। হিমসাগর আম এতই জনপ্রিয় যে , এই আমকে আমের রাজা বলা হয়। এই আমের ভিতরের অংশ হলুদ ও কমলা রঙ্গের হয় এবং কোন আঁশ থাকেনা। হিমসাগর আম জুন মাসে গাছে পাকতে শুরু করে এবং জুনের শেষের দিকে পূর্ণ বাজারজাত করা হয়। এই আম ভারতের নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহ এবং হুগলীতেও চাষ করা হয়। বাংলাদেশে অতি উৎকৃষ্ট জাতের মধ্যে হিমসাগরের অবস্থান প্রায় শীর্ষে। হিমসাগর আমের ইতিবৃত্তঃ হিমসাগর আমের গাছের আকৃতি মাঝারি। একটি হিমসাগর আমের গাছ ১২ বছর বয়সী হলে পূর্ণাঙ্গভাবে ফল দিতে সক্ষম হয়। ফলন মাঝারি এবং অনিয়মিত। হিমসাগর আম পূর্ণতাপ্রাপ্ত হলে এর গড়ন বুকের দিকটা গোলাকার এবং অবতল বা সাইনাস থেকে সামান্য লম্বাটে আকার নিয়ে শীর্ষদেশ গোলাকৃতির হয়ে থাকে। পরিপক্ব হিমসাগর আমের রং হালকা সবুজ। পাকার পরেও সবুজ থেকে যায়। ত্বক মসৃণ, খোসা পাতলা। আমটির ঠোঁট নেই। হিমসাগর অত্যন্ত উৎকৃষ্ট স্বাদের সুগন্ধযুক্ত আম। শাঁস নরম এবং আঁশবিহীন। শাঁস কমলা রঙের। আমটির খাবারের উপযোগী অংশ ৬৭ দশমিক ৫ ভাগ। হিমসাগর আম সুমিষ্ট। টিএসএস বা মিষ্টতার পরিমাণ শতকরা ২২ দশমিক ৮৪ ভাগ। পরিপক্ব আম সংগ্রহ করার পর আট দিন পর্যন্ত ঘরে রাখা যায়। হিমসাগর বনাম ক্ষীরশাপাতি আমঃ ফলটির গড় ওজন ২১৯ গ্রাম। লম্বায় ৮ দশমিক ৬৯ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। ফলের বোঁটা বেশ শক্ত বলে ঝোড়ো হাওয়া সহ্য করার ক্ষমতা রাখে। ক্ষীরশাপাতি আমের সঙ্গে হিমসাগর আমের বেশ কিছুটা সাদৃশ্য থাকার কারণে এই আমকে অনেকেই ক্ষীরশাপাতি মনে করে ভুল করে থাকেন। আবার ক্ষীরশাপাতি আমকে হিমসাগর নামে বিক্রি করা হয়। ক্ষীরশাপাতি ও হিমসাগর আমকে আলাদা করা সহজ হবে রঙের পার্থক্য দেখে। পাকার পর ক্ষীরশাপাতি আমের ওপরের অংশ হলুদ রং ধারণ করবে। এ ক্ষেত্রে হিমসাগর আম পাকার পরেও সবুজাভ হালকা হলুদ রঙের হবে। চাহিদা ও সম্ভাবনাঃ আমটির চাহিদা বাংলাদেশের সর্বত্রই। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অনেক কম। বৃহত্তর রাজশাহী জেলায় হিমসাগর আমের চাষ খুব বেশী নয়। এই জাতের চাষ ব্যাপকভাবে হয়ে থাকে চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলায়, মেহেরপুর জেলার সদর উপজেলায়, সাতক্ষীরা জেলার সদর, দেবহাটা, কলারোয়া ও তালা উপজেলা এলাকায়। উল্লিখিত এলাকার আমবাগান থেকে ভরা মৌসুমে ট্রাক বোঝাই হিমসাগর আম ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল জেলার বাজারগুলোতে চলে আসে। ঢাকার বাজারে এ সময় হিমসাগর আমের চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি। চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, সাতক্ষীরা এবং ভারতের নদীয়া জেলায় উৎপাদিত হিমসাগর আমের সঙ্গে ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলায় উৎপাদিত শাদওয়ালা বা শাদৌলা নামের অতি উৎকৃষ্ট জাতের আমের অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। একই কথা ক্ষীরশাপাতির ক্ষেত্রেও বলা যায়। মুর্শিদাবাদের নবাব শাদৌলা আমের সবচেয়ে বড় সমঝদার ছিলেন বলে জানা যায়। তথ্য ও সূত্রঃ অনলাইন সংগ্রহ। …
Read More »চালতা গাছের চারা
(দেশী জাতের প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ৩-৪ ফিট, বীজ থেকে উৎপাদিত) চালতা পরিচিতিঃ অপ্রচলিত ফল হিসেবে চালতাকে অবজ্ঞা করলেও বর্তমানে এর স্বাদ ও ঔষধিগুণে আকৃষ্ট হচ্ছেন দেশের মানুষ। চালতা চাষে বাড়তি পরিশ্রম ও খরচ কোনোটাই লাগে না। একবার শুধু কষ্ট করে লাগাতে পারলেই প্রত্যেক মৌসুমে নিয়মিত ফল পাওয়া যায়। প্রচলিত …
Read More »জাপানিজ পালমার জাতের আম গাছের চারা
(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ৪-৫ ফিট, জয়েন্ট কলম থেকে উৎপাদিত) জাত পরিচিতিঃ এই জাতের আমটিকে সূর্যডিম বা মিয়াজাকি জাপানিজ আম নামেও ডাকা হয়। বিশ্ব বাজারে এটি ‘রেড ম্যাংগো’ নামে পরিচিত। যা বর্তমানে ষড়ঋতু ডট কম -এ পাওয়া যাচ্ছে এবং বাণিজ্যিকভাবে বিক্রয় হচ্ছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম। আমটির স্বাদ অন্য আমের চেয়ে প্রায় ১৫ গুণ বেশি। আমটি খেতে খুবই মিষ্টি। আমটির গড় ওজন প্রায় ৭০০ গ্রামের মতো। সে হিসেবে প্রতি ১০ গ্রাম আমের দাম ১ ডলারের মতো। চাষ পদ্ধতিঃ আমটি স্বাদের চেয়ে চাষ পদ্ধতির কারণে বেশী দামী। এই জাপানিজ পালমার অথবা সূর্যডিম আমটির …
Read More »
Sororitu Agricultural Information Site