(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ২-৩ ফিট, বীজ থেকে উৎপাদিত) বেলজিয়াম কাঠ গাছ মূলত বেলজিয়াম থেকে আগত একটি জাতের কাঠ, যা বিভিন্ন ধরনের কাঠের উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। যদিও বাংলাদেশে এটি একটি বহিরাগত জাত হিসেবে পরিচিত, বেলজিয়াম কাঠ তার কঠিন ও মজবুত কাঠের গুণাবলী জন্য বেশ জনপ্রিয়। বেলজিয়াম কাঠ সাধারণত আসবাবপত্র, …
Read More »আফ্রিকান মেহগনি (লম্বু জাতীয়) গাছের চারা
(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ২-৩ ফিট, বীজ থেকে উৎপাদিত) এটি একটি আফ্রিকান মেহগনি (লম্বু জাতীয়) গাছের চারা। মানুষ জনের কাছে এই গাছটি লম্বু গাছ নামেই বেশী পরিচিত। কারণ এই গাছ আকারে এবং উচ্চতায় অনেক বেশী লম্বা হয়। এই গাছের কাঠ অত্যন্ত সুন্দর এবং দামী হয়। সুন্দর এবং দামী …
Read More »ইউক্যালিপটাস গাছের চারা
(ইউক্যালিপটাস প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ৪-৫ ফিট, বীজ থেকে উৎপাদিত) ইউক্যালিপটাস একটি ভাল কাঠ গাছের চারা। এটি একটি বিদেশী জাতের কাঠ। কিন্তু বাংলাদেশের কোথাও কোথাও এটি বানিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়। এই গাছের কাঠ বিক্রয় করে বানিজ্যিকভাবে লাভবান হওয়া যায়। ইউক্যালিপটাস এটি দ্রুত বর্ধনশীল একটি কাঠ গাছ এবং খুব …
Read More »মেহগনি গাছের চারা
মেহগনি গাছের চারা, প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ৪-৫ ফিট, বীজ থেকে উৎপাদিত মেহগনি একটি কাঠ বৃক্ষ জাতীয় উদ্ভিদ বিশেষ। গাছ লাগিয়ে দ্রুততম সময়ে আর্থিকভাবে লাভবান হতে চাইলে মেহগনি গাছের চারা লাগানো হতে পারে একটি দারুন উদ্যোগ। মেহগনি বাংলাদেশের নিজস্ব গাছ না হলেও আর্থিক লাভের কারণে বর্তমানে ব্যাপকভাবে এ গাছের …
Read More »থাই থ্রি পেয়ারা গাছের চারা
(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ২-৩ ফিট, থাই জাতের, কলম থেকে উৎপাদিত) বৈশিষ্ট্য সমুহঃ ১। থাই থ্রি পেয়ারা একটি বিদেশী জাতের সু-স্বাদু পেয়ারা। ২। আকারে বড় ও সু-স্বাদু থাই থ্রি পেয়ারার ফলন হয় সারা বছর জুড়েই। ৩। থাই থ্রি পেয়ারা চাষে খরচ কম লাভ বেশী। সুতরাং, বাণিজ্যিক ভাবে থাই থ্রি পেয়ারা চাষ এখন বেশ জনপ্রিয়। ৪। চারা রোপণ করার ঠিক এক বছরের মধ্যেই গাছে পেয়ারা ধরে। ফলন হয় বেশী।থাই থ্রি পেয়ারা গাছের চারা ৫। এক একটি থাই পেয়ারার গড় ওজন প্রায় আধা কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। ৬। বছরান্তে প্রায় সব গাছেই পেয়ারা ধরে। প্রাথমিক ভাবে একেকটি গাছে প্রায় ১০-২০ কেজি পেয়ারা উৎপাদন হয়। ৭। রোদে ঝলসে যাওয়া ও পোকার আক্রমণ ঠেকাতে এবং গুণগত মান ধরে রাখতে ব্যাগিং পদ্ধতি ব্যবহার করতে হয়। ৮। পেয়ারা বিক্রির পাশাপাশি কলম চারা বিক্রি করেও বাড়তি আয় করা যায়। ৯। মৌসুমে প্রতি মণ পেয়ারা এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা এবং অন্য সময়ে দুই থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা যায়। ১০। থাই থ্রি পেয়ারা চাষের ক্ষেত্রে বাগানে স্বাস্থ্য সম্মত বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে বিষমুক্ত উপায়ে এই ফল ব্যাপক ভাবে উৎপাদন করা যায়। ১১। পুষ্টি ও ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণে থাই থ্রি পেয়ারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিধায়, বাজারে এই ফলের দাম ও চাহিদা সব সময়েই বিদ্যমান। থাই থ্রি পেয়ারা গাছের চারা: একটি বিশেষ ধরণের থাই থ্রি পেয়ারা গাছের চারা যা আমরা সাধারণত ট্রপিকাল বা সাব-ট্রপিকাল …
Read More »ভেরিগেটেড মাল্টা গাছের চারা
(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ২-৩ ফিট, থাই জাতের, কলম থেকে উৎপাদিত) ভেরিগেটেড মাল্টার পরিচিতিঃ মাল্টা সাইট্রাস পরিবারভুক্ত একটি বিদেশি ফল। ভেরিগেটেড মাল্টা গাছের চারা । কমলা আর বাতাবি লেবুর সংকরায়ণে এ ফলের সৃষ্টি। এর ইংরেজি নাম সুইট অরেঞ্জ। হিন্দিতে সান্তারা। অন্য ভাষায় ভিন্ন নাম। এর আদি উৎপত্তিস্থল ভিয়েতনাম, দক্ষিণ …
Read More »চাইনিজ কমলা গাছের চারা
(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ২-৩ ফিট, চায়না জাতের, কলম থেকে উৎপাদিত) পরিচিতিঃ উচ্চ ফলনশীল চাইনিজ (রাম রঙ্গন) ছোট জাতের এই ভ্যারাইটির কমলা খেতে দারুন মিষ্টি হয়। ছাদ বাগানের জন্য একটি আদর্শ ভ্যারাইটি। এক থোকায় একাধিক ফল ধরে। এই গাছটি ছাদে এবং গ্রাউন্ডে উভয় জায়গায় সমান ফলন দিতে সক্ষম। লেবু …
Read More »হরিমন ৯৯ আপেল গাছের চারা
(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ১-১.৫ ফিট, ইন্ডিয়ান জাতের, কলম থেকে উৎপাদিত) পরিচিতিঃ হরিমন ৯৯ আপেল গাছের চারা । আপেল অত্যন্ত উপকারী একটি ফল। এটি রোগ প্রতিরোধক ও পুষ্টিকর। প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে নাকি ডাক্তারের কাছে যেতে হয় না, এ কথাটি আমরা অনেকেই জানি। আপেল একটি সু-স্বাদু ফল। আপেল …
Read More »গোল্ডেন আপেল গাছের চারা
(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ২ ফিট, পাকিস্তান জাতের, কলম থেকে উৎপাদিত) গোল্ডেন আপেল গাছের চারা: বৈশিষ্ট্য সমুহঃ ১। গোল্ডেন আপেল পাকিস্তানের একটি উন্নত জাত।গোল্ডেন আপেল গাছের চারা ২। রোপণ পরবর্তী চারা গাছে ফল ধরতে প্রায় দেড় থেকে দুই বছর পর্যন্ত সময় লাগে। ৩। বাংলাদেশের আবহাওয়ায় গোল্ডেন আপেল চাষ উপযোগী। ৪। ফলের চাহিদা পূরণে বিদেশ থেকে আপেল আমদানির দিন শেষ। সোনালী আপেলের দেশ এখন বাংলাদেশ। ৫। গোল্ডেন আপেল খেতে মিষ্টি ও সু-স্বাদু। পরিপক্ক অবস্থায় প্রতিটি ফলের গড় ওজন হয় প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম। ৬। গোল্ডেন আপেল চাষের জন্য সাধারণত পানি জমে থাকেনা এরকম উঁচু জমির প্রয়োজন হয়। ৭। একটি গাছ থেকে আরেকটি গাছের রোপণ করার দুরত্ব অন্তত সাত থেকে আট ফিট রাখলে ভাল ফলন হয়। ৮। রোপণ দুরত্বের মাঝামাঝি জায়গায় সাথী ফসল হিসাবে লেবু, পেয়ারা অথবা অন্যান্য গাছের চারা রোপণ করা যায়। ৯। রোপণের পূর্বে জমিতে জৈব সার ছিটিয়ে দিতে হয়। ১০। গোল্ডেন আপেল বিদেশী উন্নত জাতের আপেল হওয়ায় বাংলাদেশে এই ফলের চাহিদা বাড়ছে প্রতিদিন। ১১। গোল্ডেন আপেল বাণিজ্যিক ভাবে চাষ করে আর্থিকভাবে ব্যাপক লাভবান হওয়া যায়। ১২। স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বিচারে অনেকের কাছে গোল্ডেন …
Read More »আন্না আপেল গাছের চারা
(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ১-১.৫ ফিট, ইন্ডিয়ান জাতের, কলম থেকে উৎপাদিত) আপেল চাষের প্রারম্ভিকতাঃ আপেল সাধারণত শীতপ্রধান অঞ্চলের ফল। আপেল চাষের জন্য উপযুক্ত আবহাওয়া প্রয়োজন বা চিলিং আবহাওয়া প্রয়োজন। চিলিং আবহাওয়া বলতে ৭° ডিগ্রি সেন্টি গ্রেড তাপমাত্রার নিচে তাপমাত্রাকে বুঝায়। তবে বর্তমানে বেশ কিছু জাত ১৫০-২০০ ঘন্টা বা …
Read More »
Sororitu Agricultural Information Site