Tuesday,May 12 , 2026

Horticulture

Discover the Beauty of Sororitu Horticulture

Welcome to our Sororitu Horticulture category, your go-to resource for cultivating a beautiful and thriving garden within your sorority community.

Why Sororitu Horticulture?

Horticulture is more than planting flowers and vegetables—it’s a way to connect with nature, reduce stress, and build lasting friendships among your sorority sisters. Incorporate horticulture into your sorority life to:

  • Promote Sustainability: Learn eco-friendly gardening practices.
  • Boost Mental Health: Enjoy the therapeutic benefits of gardening.

What You’ll Find Here

Our Sororitu Horticulture category provides comprehensive support for all your gardening endeavors. Explore topics including:

  • Beginner’s Guides: Start your first garden with step-by-step instructions.
  • Seasonal Gardening Tips: Learn what to plant and how to care for your garden year-round.
  • DIY Projects: Engage in fun gardening projects with your sisters.
  • Plant Profiles: Discover information on flowers, herbs, vegetables, and shrubs.
  • Sustainable Practices: Get tips on composting, water conservation, and organic gardening.

Get Involved

Gardening is a rewarding activity that brings people together. Join our community to share experiences, ask questions, and connect with other sororitu passionate about horticulture. Whether you’re starting a small herb garden or transforming your entire yard, our Sororitu Horticulture category has everything you need.

Dive into the world of Sororitu Horticulture today and watch your garden—and friendships—flourish!

সৌদি জাতের লাল পেয়ারা গাছের চারা

(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ৪-৫ ফিট, কলম থেকে উৎপাদিত) পেয়ারা, অত্যন্ত পছন্দের একটি ফলের নাম। সুমিস্ট এই ফলটি আমরা প্রায় সবাই পছন্দ করি। পেয়ারা একটি সবুজ বেরী জাতীয় ফল। তবে লাল রঙয়ের পেয়ারাও পাওয়া যায়। যা লাল আপেল নামে পরিচিত। বাজারে লাল পেয়ারার চাহিদা এবং সেই অনুসারে ব্যাপকভাবে লাল পেয়ারা …

Read More »

সৌদি খাটো জাতের মিষ্টি তেঁতুল গাছের চারা

(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ৩-৪ ফিট, কলম থেকে উৎপাদিত)   (ইংরেজী নামঃ  Tamarind;  বৈজ্ঞানিক নামঃ Tamarinds indicia)   তেঁতুল দেখলে এমনকি নাম শুনলেও জিহ্বায় পানি আসে না এমন লোকের সংখ্যা খুবই কম আছে। বিশেষ করে মহিলা ও ছেলে-মেয়েদেরে কাছে এটি খুবই যুক্তিযুক্ত। আর তেঁতুল যদি মিষ্টি হয় তাহলে তো কথাই …

Read More »

জাম গাছের চারা

(দেশী জাতের, প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ২-৩-৪ ফিট, বীজ থেকে উৎপাদিত) জাম পরিচিতিঃ ফলের ভাণ্ডারে ভরা আমাদের এ প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ। আমাদের দেশে অন্যান্য সব ফলের মধ্যে জাম অন্যতম। অন্য সব মৌসুমি ফলের তুলনায় জামের স্থায়ীকাল কম হলেও এটি পুষ্টিগুণে অতুলনীয়। কালো জাম একটি গ্রীষ্মকালীন ফল। গাছটির উদ্ভব দক্ষিণ এশিয়া, …

Read More »

জলপাই গাছের পরিচিতি, বংশ বিস্তার ও পরিচর্যা !

(দেশী জাতের, প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ৪-৫-৬ ফিট, বীজ থেকে উৎপাদিত)    জলপাই পরিচিতিঃ  ভূমধ্য সাগরীয় অঞ্চলে জলাপাইয়ের বা জয়তুনের আদি বাসস্থান। পরবর্তীতে এ ফল এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশের মানুষের কাছে জলপাই একটি অতি পরিচিত মুখরোচক ফল। কাঁচা ও পাকা সব অবস্থায় এ ফল খাওয়া …

Read More »

কাঁঠাল গাছ চারা রোপণ ও চাষের পদ্ধতি!

(দেশী জাতের, প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ৪-৫ ফিট, বীজ থেকে উৎপাদিত)     পুষ্টি মূল্যঃ  আমিষ ও ভিটামিন এ সমৃদ্ধ।   ভেষজ গুণঃ  কাঁঠালের শাঁস ও বীজকে চীন দেশে বলবর্ধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কাঁঠালের শিকড়ের রস জ্বর ও পাতলা পায়খানা নিরাময়ে ব্যবহার করা হয়।   উপযুক্ত জমি ও মাটিঃ  পানি …

Read More »

হিমসাগর (নাবি জাতের) আম গাছের চারা

(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ৪-৫ ফিট, জয়েন্ট কলম থেকে উৎপাদিত) হিমসাগর আমের পরিচিতিঃ  হিমসাগর একটি বিখ্যাত আম। বাংলাদেশের রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাতে এই জাতের আমের চাষ বেশী হয়। এই আমের মিষ্টি সুগন্ধ ও স্বাদ পৃথিবীর অন্যান্য আমের থেকে ভিন্ন। তাই সারা পৃথিবীতে স্বাদ ও গন্ধের জন্য এই আম বাণিজ্যিক ভাবে বহুল পরিমানে চাষ করা হয়। হিমসাগর আম এতই জনপ্রিয় যে , এই আমকে আমের রাজা বলা হয়। এই আমের ভিতরের অংশ হলুদ ও কমলা রঙ্গের হয় এবং কোন আঁশ থাকেনা। হিমসাগর আম জুন মাসে গাছে পাকতে শুরু করে এবং জুনের শেষের দিকে পূর্ণ বাজারজাত করা হয়। এই আম ভারতের নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহ এবং হুগলীতেও চাষ করা হয়। বাংলাদেশে অতি উৎকৃষ্ট জাতের মধ্যে হিমসাগরের অবস্থান প্রায় শীর্ষে। হিমসাগর আমের ইতিবৃত্তঃ  হিমসাগর আমের গাছের আকৃতি মাঝারি। একটি হিমসাগর আমের গাছ ১২ বছর বয়সী হলে পূর্ণাঙ্গভাবে ফল দিতে সক্ষম হয়। ফলন মাঝারি এবং অনিয়মিত। হিমসাগর আম পূর্ণতাপ্রাপ্ত হলে এর গড়ন বুকের দিকটা গোলাকার এবং অবতল বা সাইনাস থেকে সামান্য লম্বাটে আকার নিয়ে শীর্ষদেশ গোলাকৃতির হয়ে থাকে। পরিপক্ব হিমসাগর আমের রং হালকা সবুজ। পাকার পরেও সবুজ থেকে যায়। ত্বক মসৃণ, খোসা পাতলা। আমটির ঠোঁট নেই। হিমসাগর অত্যন্ত উৎকৃষ্ট স্বাদের সুগন্ধযুক্ত আম। শাঁস নরম এবং আঁশবিহীন। শাঁস কমলা রঙের। আমটির খাবারের উপযোগী অংশ ৬৭ দশমিক ৫ ভাগ। হিমসাগর আম সুমিষ্ট। টিএসএস বা মিষ্টতার পরিমাণ শতকরা ২২ দশমিক ৮৪ ভাগ। পরিপক্ব আম সংগ্রহ করার পর আট দিন পর্যন্ত ঘরে রাখা যায়। হিমসাগর বনাম ক্ষীরশাপাতি আমঃ  ফলটির গড় ওজন ২১৯ গ্রাম। লম্বায় ৮ দশমিক ৬৯ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। ফলের বোঁটা বেশ শক্ত বলে ঝোড়ো হাওয়া সহ্য করার ক্ষমতা রাখে। ক্ষীরশাপাতি আমের সঙ্গে হিমসাগর আমের বেশ কিছুটা সাদৃশ্য থাকার কারণে এই আমকে অনেকেই ক্ষীরশাপাতি মনে করে ভুল করে থাকেন। আবার ক্ষীরশাপাতি আমকে হিমসাগর নামে বিক্রি করা হয়। ক্ষীরশাপাতি ও হিমসাগর আমকে আলাদা করা সহজ হবে রঙের পার্থক্য দেখে। পাকার পর ক্ষীরশাপাতি আমের ওপরের অংশ হলুদ রং ধারণ করবে। এ ক্ষেত্রে হিমসাগর আম পাকার পরেও সবুজাভ হালকা হলুদ রঙের হবে। চাহিদা ও সম্ভাবনাঃ  আমটির চাহিদা বাংলাদেশের সর্বত্রই। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অনেক কম। বৃহত্তর রাজশাহী জেলায় হিমসাগর আমের চাষ খুব বেশী নয়। এই জাতের চাষ ব্যাপকভাবে হয়ে থাকে চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলায়, মেহেরপুর জেলার সদর উপজেলায়, সাতক্ষীরা জেলার সদর, দেবহাটা, কলারোয়া ও তালা উপজেলা এলাকায়। উল্লিখিত এলাকার আমবাগান থেকে ভরা মৌসুমে ট্রাক বোঝাই হিমসাগর আম ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল জেলার বাজারগুলোতে চলে আসে। ঢাকার বাজারে এ সময় হিমসাগর আমের চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি। চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, সাতক্ষীরা এবং ভারতের নদীয়া জেলায় উৎপাদিত হিমসাগর আমের সঙ্গে ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলায় উৎপাদিত শাদওয়ালা বা শাদৌলা নামের অতি উৎকৃষ্ট জাতের আমের অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। একই কথা ক্ষীরশাপাতির ক্ষেত্রেও বলা যায়। মুর্শিদাবাদের নবাব শাদৌলা আমের সবচেয়ে বড় সমঝদার ছিলেন বলে জানা যায়। তথ্য ও সূত্রঃ অনলাইন সংগ্রহ।     …

Read More »

চালতা গাছের চারা

(দেশী জাতের প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ৩-৪ ফিট, বীজ থেকে উৎপাদিত) চালতা পরিচিতিঃ অপ্রচলিত ফল হিসেবে চালতাকে অবজ্ঞা করলেও বর্তমানে এর স্বাদ ও ঔষধিগুণে আকৃষ্ট হচ্ছেন দেশের মানুষ। চালতা চাষে বাড়তি পরিশ্রম ও খরচ কোনোটাই লাগে না। একবার শুধু কষ্ট করে লাগাতে পারলেই প্রত্যেক মৌসুমে নিয়মিত ফল পাওয়া যায়। প্রচলিত …

Read More »

জাপানিজ পালমার জাতের আম গাছের চারা

(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ৪-৫ ফিট, জয়েন্ট কলম থেকে উৎপাদিত)   জাত পরিচিতিঃ  এই জাতের আমটিকে সূর্যডিম বা মিয়াজাকি জাপানিজ আম নামেও ডাকা হয়। বিশ্ব বাজারে এটি ‘রেড ম্যাংগো’ নামে পরিচিত। যা বর্তমানে ষড়ঋতু ডট কম -এ পাওয়া যাচ্ছে এবং বাণিজ্যিকভাবে বিক্রয় হচ্ছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম। আমটির স্বাদ অন্য আমের চেয়ে প্রায় ১৫ গুণ বেশি। আমটি খেতে খুবই মিষ্টি। আমটির গড় ওজন প্রায় ৭০০ গ্রামের মতো। সে হিসেবে প্রতি ১০ গ্রাম আমের দাম ১ ডলারের মতো। চাষ পদ্ধতিঃ আমটি স্বাদের চেয়ে চাষ পদ্ধতির কারণে বেশী দামী। এই জাপানিজ পালমার অথবা সূর্যডিম আমটির …

Read More »

গৌড়মতি জাতের আম গাছের চারা

(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ৪-৫ ফিট, জয়েন্ট কলম থেকে উৎপাদিত)   জাত পরিচিতিঃ গৌড়মতি নাবি জাতের একটি নতুন আম। এই আমটি ল্যাংড়া আমের চেয়েও খেতে সুস্বাদু ও অনেক সুমিষ্ট। রাজশাহীর চাঁপাইনাবগঞ্জে এই আমটির সন্ধান পাওয়া গেছে। ২০১২ সালে তৎকালীন কৃষিবিদ মঞ্জুরুল হক,সংগনিরোধ কীটতত্ববিদ, চাঁপাইনাবগঞ্জ, স্থানীয় বাজার থেকে গুটি ল্যাংড়া নামের আম কিনেছিলেন সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। তখন ল্যাংড়া, হিমসাগর বা ফজলি থেকে শুরু করে প্রায় সব ভালো জাতের আমের মৌসুম শেষ। তাই ঐ আমটি যে গুটি ল্যাংড়া নয় তা তিনি নিশ্চিত হন। আমটি খেয়ে তিনি বুঝেছিলেন এটি একটি ভালো জাতের আম। পরবর্তীতে মঞ্জুরুল হক আম গাছটির সন্ধানে বের হন এবং সোনামসজিদ থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরের শিয়ালমারা গ্রামে গিয়ে গাছটির সন্ধান পান। সেখান থেকে তিনি ১০টি ডাল ও দুটি আম সংগ্রহ করেন। এরপর চাঁপাইনাবগঞ্জ কল্যাণপুর হর্টিকালচার সেন্টারে ৫ টি ডাল ও একটি আম দিয়ে নিজের কাছে ৫ টি ডাল ও একটি আম রেখে ঐ ডালগুলো দিয়ে পরবর্তীতে আরো চারা সম্প্রসারণ করেন। তিনি প্রথমে ক্লোনাল হেজ পদ্ধতিতে ৩ ফিট দূরে দূরে সঠিকভাবে সার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ৪০ টি আম গাছের চারা করেন। আর এভাবেই সারাদেশে পর্যায়ক্রমে এই গৌড়মতি জাতের আম গাছের চারা সংগ্রহ পরবর্তী বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ শুরু হয়। আমের গৌড়মতি নামকরণঃ স্বাদে ও গন্ধে অতুলনীয় নতুন জাতের এ আমের ‘গৌড়মতি’ নামকরণ করেছেন কৃষিবিদ মঞ্জুরুল হক। তিনি জানিয়েছেন, আমটির সর্বপ্রথম সন্ধান পাওয়া যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে। তাই বাংলার প্রাচীন এই জনপদের ‘গৌড়’ থেকে ‘গৌড়’ আর মূল্য বিবেচনায় রত্নের সঙ্গে তুলনা করে ‘মতি’ শব্দের সমন্বয়ে নতুন জাতের এই আমটির ২০১৩ সালে নামকরণ করা হয়েছিল ‘গৌড়মতি। গৌড়মতি আমের বৈশিষ্ট্যঃ ১। এই আমের টোটাল সলিউবল সুগার (টিএসএস) প্রায় ২৫ শতাংশ। ২। এই আমটি নাবি জাতের। নাবি জাতের হলেও মুকুল অন্যান্য জাতের মতো একই সময়ে আসে। ৩। এই আমটি ল্যাংড়া বা ক্ষিরসাপাত অর্থাৎ হিমসাগরের চেয়ে ১৭- ২০ % বেশি মিষ্টি। ৪। গৌড়মতির ভক্ষণযোগ্য অংশ প্রায় ৯৩ ভাগ সেখানে অন্যান্য ভালো জাতের আমের ভক্ষণযোগ্য অংশ ৮০-৮২ ভাগ। ৫। আমটি পাকলে হলুদাভার সঙ্গে সিঁদুরে রঙের মিশ্রণে অসাধারণ দেখায়। ৬। গৌড়মতি আমে মিষ্টতার পাশাপাশি উচ্চমাত্রার খনিজ উপাদানও রয়েছে। ৭। এই আমের খোসা ও আঁটি দুটোই পাতলা এবং আঁটি ছোট হওয়ায় এ আমের ভক্ষণযোগ্য অংশ বেশি। ৮।  ল্যাংড়া ও আশ্বিনার প্রাকৃতিক পরাগায়নের ফলে আমের নতুন এ জাতটির উদ্ভাবন হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ৯। এই আমটি দেখতে অনেকটা ল্যাংড়া ও আশ্বিনা জাতের আমের মতো। অর্থাৎ আশ্বিনা থেকে নাবি জাতের বৈশিষ্ট্য এবং ল্যাংড়া থেকে রং, আকৃতি ও স্বাদসহ অন্যান্য বৈশিষ্ট্য পেয়েছে এ আমটি। ১০।  আমটি সহজে পচনশীল নয়। কেননা পাকা আম গাছ থেকে পাড়ার ৭-১০ দিন পরও আম ভালো থাকে। ১১। এই আম আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত পাকবে। ১২। প্রতিটি আমের ওজন প্রায় ৩৫০ থেকে ৬০০ গ্রাম অর্থাৎ গড়ে ৩ টি আমের ওজন ১ কেজি। ১৩। এই আম স্বাদে, মিষ্টতায় ও গন্ধে তুলনাহীন। ১৪। প্রতি কেজি আমের বাজার দাম কমপক্ষে ৩৫০-৪০০ টাকা। ১৫।  সাধারণত ৩ বছর বয়সের চারা গাছে ফল ধরে থাকে। ৪ বছর বয়সের প্রতিটি গাছ থেকে ১ মণ এবং ৫ বছরের প্রতিটি গাছ থেকে প্রায় ১.৫ মণ আম পাওয়া যায়। …

Read More »

ড্রাগন ফল গাছের চারা

(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ১-২ ফিট, কলম থেকে উৎপাদিত)    ড্রাগন ফল পরিচিতিঃ  বর্তমান সময়ে একটি আলোচিত ফসল হচ্ছে ড্রাগন ফল। এটি দক্ষিণ আমেরিকার  জঙ্গলে জন্ম নেওয়া লতানো এক ধরনের ক্যাকটাস গাছের ফল। বর্তমানে থাইল্যান্ড, মালেশিয়া, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, চীন ও ভারতে এই ফল প্রচুর পরিমান চাষ হলেও বাংলাদেশে ড্রাগন …

Read More »
Translate »