(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ২-৩ ফিট, থাই জাতের, কলম থেকে উৎপাদিত) বৈশিষ্ট্য সমুহঃ ১। থাই থ্রি পেয়ারা একটি বিদেশী জাতের সু-স্বাদু পেয়ারা। ২। আকারে বড় ও সু-স্বাদু থাই থ্রি পেয়ারার ফলন হয় সারা বছর জুড়েই। ৩। থাই থ্রি পেয়ারা চাষে খরচ কম লাভ বেশী। সুতরাং, বাণিজ্যিক ভাবে থাই থ্রি পেয়ারা চাষ এখন বেশ জনপ্রিয়। ৪। চারা রোপণ করার ঠিক এক বছরের মধ্যেই গাছে পেয়ারা ধরে। ফলন হয় বেশী।থাই থ্রি পেয়ারা গাছের চারা ৫। এক একটি থাই পেয়ারার গড় ওজন প্রায় আধা কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। ৬। বছরান্তে প্রায় সব গাছেই পেয়ারা ধরে। প্রাথমিক ভাবে একেকটি গাছে প্রায় ১০-২০ কেজি পেয়ারা উৎপাদন হয়। ৭। রোদে ঝলসে যাওয়া ও পোকার আক্রমণ ঠেকাতে এবং গুণগত মান ধরে রাখতে ব্যাগিং পদ্ধতি ব্যবহার করতে হয়। ৮। পেয়ারা বিক্রির পাশাপাশি কলম চারা বিক্রি করেও বাড়তি আয় করা যায়। ৯। মৌসুমে প্রতি মণ পেয়ারা এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা এবং অন্য সময়ে দুই থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা যায়। ১০। থাই থ্রি পেয়ারা চাষের ক্ষেত্রে বাগানে স্বাস্থ্য সম্মত বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে বিষমুক্ত উপায়ে এই ফল ব্যাপক ভাবে উৎপাদন করা যায়। ১১। পুষ্টি ও ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণে থাই থ্রি পেয়ারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিধায়, বাজারে এই ফলের দাম ও চাহিদা সব সময়েই বিদ্যমান। থাই থ্রি পেয়ারা গাছের চারা: একটি বিশেষ ধরণের থাই থ্রি পেয়ারা গাছের চারা যা আমরা সাধারণত ট্রপিকাল বা সাব-ট্রপিকাল …
Read More »
Sororitu Agricultural Information Site