Anna apple tree saplings

Product Code: Anna apple tree saplings


Product Price:
৳ 385
৳ 400.00 ৳ 15.00 OFF

Purchase Quantity:

Delivery Charge:

From Office Area to All Bangladesh (1-8 Shipping Days)
    Delivery Charge: 120

Return & Warranty:

00 Days Returns
Not Applicable

Description :


আন্না আপেল গাছের চারা

(প্রতিটি চারার গড় উচ্চতা ১-১.৫ ফিট, ইন্ডিয়ান জাতের, কলম থেকে উৎপাদিত) 

 

আপেল চাষের প্রারম্ভিকতাঃ 

আপেল সাধারণত শীতপ্রধান অঞ্চলের ফল। আপেল চাষের জন্য উপযুক্ত আবহাওয়া প্রয়োজন বা চিলিং আবহাওয়া প্রয়োজন। চিলিং আবহাওয়া বলতে ৭° ডিগ্রি সেন্টি গ্রেড তাপমাত্রার নিচে তাপমাত্রাকে বুঝায়। তবে বর্তমানে বেশ কিছু জাত ১৫০-২০০ ঘন্টা বা ৮-৯ দিন চিলিং আবহাওয়া হলে পর্যাপ্ত ফুল ফল আসে। এছাড়াও ডরসেট গোল্ডেন, অস্ট্রেলিয়ান সামার, সামার গ্রিন এই সকল জাত বাংলাদেশের আবহাওয়ায় চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। কেননা এই সকল জাতের চিলিং আওয়ার ২০০ ঘন্টা (৯ দিন) অথবা তারও কম।  আপেলের আরো একটি দিক হচ্ছে - যারা শখ করে ছাদবাগান করেন, তারা সাধারণত একটি জাতের আপেল গাছ লাগান। ফলে ফুল ও ফল হয়না বা আসেনা। এর কারণ হচ্ছে- আপেলের অধিকাংশ গাছ স্ব -পরাগায়নীত নয়। তাই আপেল গাছ লাগাতে হলে কমপক্ষে দুটি জাত লাগাতে হবে। এতে করে ক্রস পলিনেশন হবে। তবেই প্রতিটি গাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফুল ও ফল আসবে।

 

চাষ পদ্ধতিঃ

আপেল চাষের জন্য প্রয়োজন বেলে ও বেলে-দোঁয়াশ মাটি। মাটির পিএইচ মাত্রা যাতে সাড়ে চার থেকে সাড়ে ছয়ের মধ্যে থাকে তা সবার আগে দেখে নিতে হবে। আপেল গাছের চারা নির্বাচন আর একটি বড় ফ্যাক্টর। বাজারে হরেক রকম চারা পাওয়া গেলেও প্রতিষ্ঠিত নার্সারির সঙ্গে আপেল চারার জন্য যোগাযোগ রাখতে হবে। সেক্ষেত্রে টিস্যু কালচার ভ্যারাইটির পাশাপাশি HRMN99, ডরসেট এবং আন্না ভ্যারাইটির চারাই চাষের জন্য নির্বাচন করতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়। 

 

 

জমি নির্বাচনঃ

সারাদিন রোদ পরে আর পানি জমেনা এরকম উঁচু জমি নির্বাচন করতে হবে। মনে রাখতে হবে, গাছের গোড়ায় ২৪ ঘন্টা পানি জমলেই কিন্তু গাছের শেকড় পচে মরে যাবে। 

 

চারা রোপন ও সার প্রদানঃ

গাছ বোনার ক্ষেত্রে প্রথমে জমি তৈরি করতে হবে। গোবর সারের সঙ্গে মিশ্রণ তৈরি করতে হবে মাটির। সেই সঙ্গে দিতে হবে ভারমি কম্পোস এবং নিমখৈল। আট থেকে দশ ফুট অন্তর আপেল গাছের চারা রোপণ করতে হবে। ফাল্গুন মাসে জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে। পরিচর্যার ক্ষেত্রে শীতকালে একদিন অন্তর পরিমান মত পানি দিতে হবে। তবে পানি দেওয়ার ক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে অতিরিক্ত পানি যাতে না দেওয়া হয়। আপেল গাছ ফল দিতে সময় লাগে বড় জোর দুই থেকে তিন বছর। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে গাছে ফলনের পরিমাণ বাড়ে। 

 

পলিনেশন বা পরাগায়নঃ

আমাদের অনেকের বাসায় আপেল এর গাছ থাকার পরও ফল হয়না। গাছে প্রতি বছর প্রচুর ফুল আসলেও ফল হয়না। এর কারণ হচ্ছে আপেল এর অধিকাংশ জাত সেল্ফ পলিনেটেড বা স্ব-পরাগানীত নয়। তাই আপলের কমপক্ষে ২টি জাত পাশাপাশি লাগাতে হয়। এতে করে ক্রস পলিনেশন হবে, ফুল থেকে ফল আসবে এবং ফল এর সাইজ ভালো হবে। 

 

 

ডাল ছাঁটাই ও বালাই দমনঃ 

শীতকালে আপেল গাছ যখন সুপ্ত অবস্থায় থাকে তখন ডাল ছাঁটাই করে দিতে হয়। ২ বছরের গাছে নিচের দিক থেকে ২ ফিট পর্যন্ত কোন শাখা রাখা ঠিক নয়। প্রধান শাখার সাথে সর্বচ্চ ৫টি শাখা রেখে বাকিগুলো কেটে দিতে হয়। আপেল গাছে ছত্রাক জাতীয় রোগ হলে অবশ্যই ছত্রাক নাশক স্প্রে করতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ এর বাজারে ম্যানসার নামে একটি ছত্রাকনাশক পাওয়া যায় সেটি ব্যবহার করা যেতে পারে। 

 

ফল ছাঁটাই করনঃ 

আপেল গাছের ফল সেটিং হয়ে যাওয়ার পর অবশ্যই অপেক্ষাকৃত ছোট, রোগা ফলগুলোকে ছেঁটে ফেলতে হয়। এতে করে ফলের গুণাগুণ ও আকার ভালো হয়। 

 

তথ্য ও সূত্রঃ অনলাইন সংগ্রহ। 

 

 

Some text some message..